Post Widget 1

Heath Tips

  • In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a
  • Fringilla vel, aliquet nec, vulputateDonec pede justo,  eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo.Nullam dictum felis eu pede mollis pretium.

Post Widget 2

মিড-ডে মিল এবার পথকুকুরদের জন্যও একথালা ভাত সাথে এক পৃথিবী ভালোবাসা

মিড-ডে মিল এবার পথকুকুরদের জন্যও একথালা ভাত সাথে এক পৃথিবী ভালোবাসা

সেখ আব্দুল আজিম (হুগলি)গহ ২০ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ সর্ব শিক্ষা মিশন ছাত্রদের নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করে। যে নির্দেশকিায় স্কুল থেকে পথকুকুরদের সরানোর ও মিডডে মিলের উচ্ছিষ্ট খাবার পথকুকুরদের না দেওয়াসসহ একগুচ্ছ নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু পশুপ্রেমী বিভিন্ন সংগঠন তাতে আপত্তি জানায়। তাঁদের বক্তব্য, এই নির্দেশিকায় পশু-মানুষ সংঘর্ষ আরও বাড়বে। পথকুকুররা অভুক্ত থাকলে আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে।যার ফলে ছাত্রদের বিপদই বাড়বে।

বিশিষ্ট পশুপ্রেমী মানেকা গান্ধীও গত ২ এপ্রিল স্কুল শিক্ষা দপ্তরের প্রিন্সিপল সেক্রেটারিকে চিঠি দিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানান। আশ্রয় হোম এন্ড হসপিটাল ফর এ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও আপত্তি ওঠে। অবশেষে গত ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ সর্বশিক্ষা মিশন সংশোধিত নির্দেশিকা জারি করেছে, যাতে পথকুকুরদের খাবার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সংশোধিত নির্দেশিকা শুধু পড়ুয়াদেরই নয়, আমাদের চারপাশের অবহেলিত পথকুকুরদের মুখেও হাসি ফোটাবে। এই নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, মিড ডে মিলের পুষ্টিকর খাবার এখন থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় পথকুকুরদেরও খাওয়ানো হবে। এটি নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং মানবিক পদক্ষেপ, যা সমাজের সব প্রাণের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধকে স্মরণ করিয়ে দেয়।এই উদ্যোগটি কেবল পথ কুকুরদেরই খাদ্য সুরক্ষাই নিশ্চিত করবে না, বরং শিশুদের মধ্যে সহানুভূতি, পরোপকার এবং প্রাণী কল্যাণের মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলবে।

স্কুল ক্যান্টিন বা রান্নাঘর থেকে যে উদ্বৃত্ত খাবার প্রায়শই নষ্ট হয়ে যায়, তা এখন থেকে অভুক্ত কুকুরদের ক্ষুধা নিবারণে ব্যবহৃত হবে। এটি খাদ্যের অপচয় রোধেও একটি কার্যকর পদক্ষেপ।ভাবুন তো, স্কুলের ছুটির পর যখন বাচ্চারা তাদের টিফিন বক্স থেকে অবশিষ্ট খাবার পথকুকুরদের সাথে ভাগ করে নেবে, সেই দৃশ্যটি কতটা হৃদয়গ্রাহী হবে! এই ছোট ছোট মানবিক কাজগুলি শিশুদের মনে গভীর প্রভাব ফেলবে এবং তাদের মধ্যে একটি দায়িত্বশীল ও সহানুভূতিশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে। এই উদ্যোগের ফলে কুকুরদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, তারা পুষ্টি পাবে এবং তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতাও কমবে।ভদ্রেশ্বরের একটি স্কুলের শিক্ষিকা তাপ্তি পালিত বলেন, উদ্বৃত্ত খাবার প্রায় প্রতিদিনই থাকে,সেগুলো পথকুকুরে ক্ষুধা মেটালে তো ভালই হয়!ধনিয়াখালির একটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা সমাপিকা সিংহরায়, বলেন আমাদের স্কুলের মিডডে মিলের বাড়তি খাবার আমরা এমনিতেই ওদের দিয়ে দিই,নষ্ট করার চাইতে কেউ খেতে পাওয়া ঢেড় ভাল। শ্রীরামপুরের বেলুমিল্কীর প্রাথমিক শিক্ষক সুদর্শন ব্যানার্জি বলেন, আমাদের স্কুলে বেশ কয়েকটি পথকুকুর থাকে, ছাত্র ছাত্রীরাই ওদের দেকভাল করে, খাবার দেয়। ওরাও স্কুল পাহাড়া দেয়। অচেনা কেউ এলে ডাকাডাকি করে সতর্ক করে। কোনো সমস্যা হয় না।আশ্রয় হোম এন্ড হসপিটাল ফর এ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য তথা স্কুল শিক্ষক বিভাস গুপ্ত বলেন,আমরা আশা করি, এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও ছড়িয়ে পড়বে এবং একটি আরও সহানুভূতিশীল সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। আশ্রয়ের সদস্য শেখ মাবুদ আলি বলেন, অবহেলিত প্রাণগুলি একটু খাবার যদি পায়,তাতে ও সবারই ভাললাগার কথা।ঐ সংগঠনের সম্পাদক গৌতম সরকার বলেন, আসুন, আমরা সকলে এই মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং এর সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতা করি। পাশাপাশি সরকারের কাছেও দাবি জানাই সব স্কুল নির্দেশিকা রূপায়িত করছে কিনা তা নজরে রাখার।

admin

This is a Bengali News Channel.

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read also x